প্রকৃতিং পুরুষঞ্চৈব ক্ষেত্রং ক্ষেত্রজ্ঞমেব চ।
এতদ্বেদিতুমিচ্ছামি জ্ঞানং জ্ঞেয়ং চ কেশব।।১
অনুবাদ
অর্জুন বলিলেন — হে কেশব, প্রকৃতি ও পুরুষ কি? ক্ষেত্র, ক্ষেত্রজ্ঞ, জ্ঞান ও জ্ঞেয় — এই বিষয়গুলি কি তাহা আমি জানিবার ইচ্ছা করি।
ইদং শরীরং কৌন্তেয় ক্ষেত্রমিত্যভিধীয়তে।
এতদ্ যো বেত্তি তং প্রাহুঃ ক্ষেত্রজ্ঞ ইতি তদ্বিদঃ।।২
অনুবাদ
শ্রীভগবান বলিলেন — হে কৌন্তেয়, এই দেহকে বলা হয় ক্ষেত্র এবং যিনি এই ক্ষেত্রকে জানেন তিনিই ক্ষেত্রজ্ঞ — ক্ষেত্র-ক্ষেত্রজ্ঞবেত্তা পণ্ডিতগণ এইরূপ বলিয়া থাকেন।
ক্ষেত্রজ্ঞঞ্চাপি মাং বিদ্ধি সর্বক্ষেত্রেষু ভারত।
ক্ষেত্রক্ষেত্রজ্ঞয়োর্জ্ঞানং যত্তজ্জ্ঞানং মতং মম।।৩
অনুবাদ
হে ভারত, সমুদয় ক্ষেত্রে আমাকেই ক্ষেত্রজ্ঞ বলিয়া জানিও। ক্ষেত্র ও ক্ষেত্রজ্ঞের যে জ্ঞান তাহাই প্রকৃত জ্ঞান — ইহাই আমার মত।
তৎ ক্ষেত্রং যচ্চ যাদৃক্চ যদ্বিকারি যতশ্চ যৎ।
স চ যো যৎপ্রভাবশ্চ তৎ সমাসেন মে শৃণু।।৪
অনুবাদ
সেই ক্ষেত্র কি, উহা কি প্রকার, উহা কি প্রকার বিকারবিশিষ্ট, ইহার মধ্যেও কি হইতে কি হয় এবং সেই ক্ষেত্রজ্ঞ কে ও তাঁহার প্রভাব কিরূপ — এই সকল তত্ত্ব সংক্ষেপে আমার কাছে শ্রবণ করো।
ঋষিভির্বহুধা গীতং ছন্দোভির্বিবিধৈঃ পৃথক্।
ব্রহ্মসূত্রপদৈশ্চৈব হেতুমদ্ভির্বিনিশ্চিতৈঃ।।৫
অনুবাদ
এই ক্ষেত্র-ক্ষেত্রজ্ঞ তত্ত্ব ঋষিগণ কর্তৃক নানা ছন্দে পৃথক পৃথক নানা প্রকারে ব্যাখ্যা হইয়াছে। এই বিষয় ব্রহ্মসূত্রপদসমূহেও যুক্তিযুক্ত বিচারসহ নিঃসন্দিগ্ধরূপে ব্যাখ্যাত হইয়াছে।
মহাভূতান্যহঙ্কারো বুদ্ধিরব্যক্তমেব চ।
ইন্দ্রিয়াণি দশৈকঞ্চ পঞ্চ চেন্দ্রিয়গোচরাঃ।।৬
অনুবাদ
ক্ষিতি আদি পঞ্চমহাভূত, অহংকার, বুদ্ধি, মূল প্রকৃতি, দশ ইন্দ্রিয়, মন ও রূপরসাদি পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের বিষয়।
ইচ্ছা দ্বেষঃ সুখং দুঃখং সংঘাতশ্চেতনা ধৃতিঃ।
এতৎ ক্ষেত্রং সমাসেন সবিকারমুদাহৃতম্।।৭
অনুবাদ
ইচ্ছা, দ্বেষ, সুখ, দুঃখ, সংঘাত, চেতনা ও ধৃতি — এই সমুদয়কে সবিকার ক্ষেত্র বলে।
অমানিত্বমদম্ভিত্বমহিংসা ক্ষান্তিরার্জবম্।
আচার্যোপাসনং শৌচং স্থৈর্যমাত্মবিনিগ্রহঃ।।৮
অনুবাদ
শ্লাঘারাহিত্য, দম্ভরাহিত্য, অহিংসা, ক্ষমা, সরলতা, গুরুসেবা, শৌচ ও সৎকার্যে একনিষ্ঠা।
ইন্দ্রিয়ার্থেষু বৈরাগ্যমনহঙ্কার এব চ।
জন্মমৃত্যুজরাব্যাধিদুঃখদোষানুদর্শনম্।।৯
অনুবাদ
ইন্দ্রিয়ভোগ্য বিষয়ে বৈরাগ্য, নিরহংকারিতা এবং জন্ম-মৃত্যু-জরা-ব্যাধিতে দুঃখ দর্শন।
অসক্তিরনভিষ্বঙ্গঃ পুত্রদারগৃহাদিষু।
নিত্যঞ্চ সমচিত্তত্বমিষ্টানিষ্টোপপত্তিষু।।১০
অনুবাদ
বিষয়ে বা কর্মে অনাসক্তি, স্ত্রী-পুত্র-গৃহাদিতে মমত্ববোধের অভাব এবং ইষ্ট-নিষ্টলাভে সমচিত্ততা।
ময়ি চানন্যযোগেন ভক্তিরব্যভিচারিণী।
বিবিক্তদেশসেবিত্বমরতির্জনসংসদি।।১১
অনুবাদ
আমাতে অনন্যভাবে ঐকান্তিক ভক্তি, পবিত্র নির্জন স্থানে বাস করা এবং প্রাকৃত জনসমাজে বিরক্তি।
অধ্যাত্মজ্ঞাননিত্যত্বং তত্ত্বজ্ঞানার্থদর্শনম্।
এতজ্জ্ঞানমিতি প্রোক্তমজ্ঞানং যদতোহন্যথা।।১২
অনুবাদ
সর্বদা অধ্যাত্মজগতের অনুশীলন ও তত্ত্বজ্ঞানের প্রয়োজন আলোচনা — এই সকলকে জ্ঞান বলা হয়। ইহার বিপরীত যাহা, তাহা অজ্ঞান।
জ্ঞেয়ং যত্তৎ প্রবক্ষ্যামি যজ্জ্ঞাত্বামৃতমশ্নুতে।
অনাদিমৎ পরং ব্রহ্ম ন সৎ তন্নাসদুচ্যতে।।১৩
অনুবাদ
জ্ঞাতব্য বস্তু যাহা — যাহা জ্ঞাত হইলে মোক্ষলাভ করা যায় — তাহা বলিতেছি। আদ্যন্তহীন সেই পরব্রহ্ম সম্বন্ধে বলা হয় যে তিনি সৎও নহেন, অসৎও নহেন।
সর্বতঃ পাণিপাদং তৎ সর্বতোহক্ষিশিরোমুখম্।
সর্বতঃ শ্রুতিমল্লোকে সর্বমাবৃত্য তিষ্ঠতি।।১৪
অনুবাদ
তাঁহার হস্তপদ সর্বদিকে, সর্বদিকে তাঁহার চক্ষু, মস্তক ও মুখ, সর্বদিকে তাঁহার কর্ণ — এইরূপে এই লোকে সমস্ত পদার্থ ব্যাপিয়া তিনি অবস্থিত আছেন।
সর্বেন্দ্রিয়গুণাভাসং সর্বেন্দ্রিয়বিবর্জিতম্।
অসক্তং সর্বভৃচ্চৈব নির্গুণং গুণভোক্তৃ চ।।১৫
অনুবাদ
চক্ষুরাদি সমুদয় ইন্দ্রিয়বৃত্তিতে প্রকাশমান তিনি অথচ নিঃসঙ্গ সর্বেন্দ্রিয়বিবর্জিত। সর্বসঙ্গশূন্য অথচ সকলের আধারস্বরূপ। নির্গুণ অথচ সত্ত্বাদি গুণের ভোক্তা বা পালক।
বহিরন্তশ্চ ভূতানামচরং চরমেব চ।
সূক্ষ্মত্বাৎ তদবিজ্ঞেয়ং দূরস্থং চান্তিকে চ তৎ।।১৬
অনুবাদ
তিনি সর্বভূতের অন্তরে ও বাহিরে, চল ও অচলেও। সূক্ষ্মতাবশত তিনি অবিজ্ঞেয় এবং তিনি দূরে থাকিয়াও নিকটে স্থিত।
অবিভক্তং চ ভূতেষু বিভক্তমিব চ স্থিতম্।
ভূতভর্তৃ চ তজ্জ্ঞেয়ং গ্রসিষ্ণু প্রভবিষ্ণু চ।।১৭
অনুবাদ
অপরিচ্ছিন্ন হইলেও তিনি সর্বভূতে প্রতীত হন ভিন্ন ভিন্ন বলিয়া। ভূতসকলের পালনকর্তা, সংহর্তা ও সৃষ্টিকর্তা তাঁহাকে জানিবে।
জ্যোতিষামপি তজ্জ্যোতিস্তমসঃ পরমুচ্যতে।
জ্ঞানং জ্ঞেয়ং জ্ঞানগম্যং হৃদি সর্বস্য বিষ্ঠিতম্।।১৮
অনুবাদ
তিনি জ্যোতিঃসকলেরও জ্যোতিঃ, তমের অতীত। বুদ্ধিবৃত্তিতে প্রকাশমান জ্ঞান, তিনি জ্ঞেয়তত্ত্ব, তিনি জ্ঞানের দ্বারা লভ্য, তিনি সর্বভূতের হৃদয়ে অবস্থিত।
ইতি ক্ষেত্রং তথা জ্ঞানং জ্ঞেয়ং চোক্তং সমাসতঃ।
মদ্ভক্ত এতদ্বিজ্ঞায় মদ্ভাবায়োপপদ্যতে।।১৯
অনুবাদ
এই প্রকারে ক্ষেত্র, জ্ঞান এবং জ্ঞেয় কাহাকে বলে সংক্ষেপে কথিত হইল। আমার ভক্ত ইহা জানিয়া আমার দিব্য প্রকৃতি প্রাপ্ত হন।
প্রকৃতিং পুরুষঞ্চৈব বিদ্ধ্যনাদী উভাবপি।
বিকারাংশ্চ গুণাংশ্চৈব বিদ্ধি প্রকৃতিসম্ভবান্।।২০
অনুবাদ
অনাদি বলিয়া জানিও প্রকৃতি ও পুরুষ। দেহেন্দ্রিয়াদি বিকারসমূহ এবং সুখ-দুঃখ-মোহাদি গুণসমূহ প্রকৃতি হইতেই উৎপন্ন হইয়াছে জানিবে।
কার্যকরণকর্তৃত্বে হেতুঃ প্রকৃতিরুচ্যতে।
পুরুষঃ সুখদুঃখানাং ভোক্তৃত্বে হেতুরুচ্যতে।।২১
অনুবাদ
প্রকৃতিই কারণ শরীর ও ইন্দ্রিয়গণের কর্তৃত্ব বিষয়ে। পুরুষই কারণ বলিয়া উক্ত হন সুখ-দুঃখ-ভোগ বিষয়ে।
পুরুষঃ প্রকৃতিস্থো হি ভুঙ্ক্তে প্রকৃতিজান্ গুণান্।
কারণং গুণসঙ্গোহস্য সদসদ্যোনিজন্মসু।।২২
অনুবাদ
প্রকৃতিতে অধিষ্ঠিত হইয়া পুরুষ প্রকৃতির গুণসমূহ ভোগ করেন এবং ঐ গুণসমূহের সংসর্গই পুরুষের সৎ ও অসৎ যোনিতে জন্মগ্রহণের কারণ হয়।
উপদ্রষ্টানুমন্তা চ ভর্তা ভোক্তা মহেশ্বরঃ।
পরমাত্মেতি চাপ্যুক্তো দেহেহস্মিন্ পুরুষঃ পরঃ।।২৩
অনুবাদ
পরম পুরুষ এই দেহে যে আছেন — তিনি উপদ্রষ্টা, অনুমন্তা, ভর্তা, ভোক্তা, মহেশ্বর ও পরমাত্মা বলিয়াও উক্ত হন।
য এবং বেত্তি পুরুষং প্রকৃতিং চ গুণৈঃ সহ।
সর্বথা বর্তমানোহপি ন স ভূয়োহভিজায়তে।।২৪
অনুবাদ
এই প্রকার পুরুষতত্ত্ব এবং বিকারাদি গুণসহিত প্রকৃতিতত্ত্ব যিনি অবগত হন — তিনি যে অবস্থায় থাকুন না কেন, পুনরায় জন্মলাভ করেন না অর্থাৎ মুক্ত হন।
ধ্যানেনাত্মনি পশ্যন্তি কেচিদাত্মানমাত্মনা।
অন্যে সাংখ্যেন যোগেন কর্মযোগেন চাপরে।।২৫
অনুবাদ
কেহ কেহ স্বয়ং আপনিতেই ধ্যানের দ্বারা আত্মদর্শন করেন। কেহ কেহ সাংখ্যযোগ দ্বারা এবং অন্য কেহ কেহ কর্মযোগের দ্বারা আত্মাকে দর্শন করেন।
অন্যে ত্বেবমজানন্তঃ শ্রুত্বান্যেভ্য উপাসতে।
তেহপি চাতিতরন্ত্যেব মৃত্যুং শ্রুতিপরায়ণাঃ।।২৬
অনুবাদ
আবার অন্য কেহ কেহ এইরূপ আপনি আত্মাকে না জানিয়া অন্যের নিকট শুনিয়া উপাসনা করেন। শ্রদ্ধাপূর্বক উপদেশ শ্রবণ করিয়া উপাসনা করতঃ তাঁহারাও মৃত্যুকে অতিক্রম করেন।
যাবৎ সঞ্জায়তে কিঞ্চিৎ সত্ত্বং স্থাবরজঙ্গমম্।
ক্ষেত্রক্ষেত্রজ্ঞসংযোগাৎ তদ্বিদ্ধি ভরতর্ষভ।।২৭
অনুবাদ
স্থাবর জঙ্গম যত কিছু পদার্থ উৎপন্ন হয় — হে ভরতর্ষভ, তাহা সমস্তই ক্ষেত্র ও ক্ষেত্রজ্ঞের সংযোগ হইতে হইয়া থাকে জানিবে।
সমং সর্বেষু ভূতেষু তিষ্ঠন্তং পরমেশ্বরম্।
বিনশ্যৎস্ববিনশ্যন্তং যঃ পশ্যতি স পশ্যতি।।২৮
অনুবাদ
সমভাবে যিনি সর্বভূতে অবস্থিত এবং সমস্ত বিনষ্ট হইলেও যিনি বিনষ্ট হন না — সেই পরমেশ্বরকে সম্যকরূপে দর্শন করিয়াছেন যিনি তিনিই যথার্থদর্শী।
সমং পশ্যন্ হি সর্বত্র সমবস্থিতমীশ্বরম্।
ন হিনস্ত্যাত্মনাত্মানং ততো যাতি পরাং গতিম্।।২৯
অনুবাদ
সর্বভূতে সমান ও সমভাবে অবস্থিত ঈশ্বরকে যিনি দর্শন করেন — তিনি আত্মদ্বারা আত্মাকে হনন করেন না এবং সেই হেতু তিনি পরম গতি প্রাপ্ত হন।
প্রকৃত্যৈব চ কর্মাণি ক্রিয়মাণানি সর্বশঃ।
যঃ পশ্যতি তথাত্মানমকর্তারং স পশ্যতি।।৩০
অনুবাদ
সমস্ত প্রকৃতিই সমস্ত কর্ম করেন এবং আত্মা অকর্তা — ইহা যিনি দর্শন করেন তিনিই যথার্থদর্শী।
যদা ভূতপৃথগ্ভাবমেকস্থমনুপশ্যতি।
তত এব চ বিস্তারং ব্রহ্ম সম্পদ্যতে তদা।।৩১
অনুবাদ
যখন তত্ত্বদর্শী সাধক ভূতসমূহের পৃথক পৃথক ভাব এক ব্রহ্মবস্তুতেই অবস্থিত দর্শন করেন এবং সেই ব্রহ্ম হইতেই এর বিস্তার দর্শন করেন — তখন তিনি ব্রহ্মভাব প্রাপ্ত হন।
অনাদিত্বান্নির্গুণত্বাৎ পরমাত্মায়মব্যয়ঃ।
শরীরস্থোহপি কৌন্তেয় ন করোতি ন লিপ্যতে।।৩২
অনুবাদ
হে কৌন্তেয়, অনাদি ও নির্গুণ বলিয়া এই পরমাত্মা অব্যয়। সুতরাং দেহে থাকিয়াও তিনি কিছুই করেন না এবং কর্মফলে লিপ্ত হন না।
যথা সর্বগতং সৌক্ষ্ম্যাদাকাশং নোপলিপ্যতে।
সর্বত্রাবস্থিতো দেহে তথাত্মা নোপলিপ্যতে।।৩৩
অনুবাদ
সর্ববস্তুতে আকাশ যেমন অবস্থিত থাকিলেও অতি সূক্ষ্মতা হেতু কোনো বস্তুতে লিপ্ত হয় না — সেই রকম আত্মা সর্বদেহে অবস্থিত থাকিলেও কিছুতেই লিপ্ত হন না।
যথা প্রকাশয়ত্যেকঃ কৃৎস্নং লোকমিমং রবিঃ।
ক্ষেত্রং ক্ষেত্রী তথা কৃৎস্নং প্রকাশয়তি ভারত।।৩৪
অনুবাদ
হে ভারত, এক সূর্য যেমন এই সমগ্র জগৎ প্রকাশ করিয়া থাকেন — তেমনি ক্ষেত্রী আত্মা সমগ্র ক্ষেত্রকেও প্রকাশ করিয়া থাকেন।
ক্ষেত্রক্ষেত্রজ্ঞয়োরেবমন্তরং জ্ঞানচক্ষুষা।
ভূতপ্রকৃতিমোক্ষঞ্চ যে বিদুর্যান্তি তে পরম্।।৩৫
অনুবাদ
যাঁহারা জ্ঞানচক্ষু দ্বারা ক্ষেত্র ও ক্ষেত্রজ্ঞের প্রভেদ এবং ভূতপ্রকৃতি অর্থাৎ অবিদ্যা হইতে মোক্ষ কি প্রকার তাহা দর্শন করেন — তাঁহারা পরমপদ প্রাপ্ত হন।
ইতি ক্ষেত্রক্ষেত্রজ্ঞবিভাগযোগ নামক
ত্রয়োদশ অধ্যায় সমাপ্ত।
শ্রীমদ্ভগবদ্গীতোপনিষৎসু ব্রহ্মবিদ্যায়াং
যোগশাস্ত্রে শ্রীকৃষ্ণার্জুনসংবাদে
ক্ষেত্রক্ষেত্রজ্ঞবিভাগযোগো নাম ত্রয়োদশোহধ্যায়ঃ